কান্তে, চিলওয়েলরা ক্লাব ছেড়ে গিয়েছিলেন চেলসি দলে।
রিয়াদ মাহরেজকে টেনে নেয় ইপিএলের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি, সেখানে গিয়েই চ্যাম্পিয়নস লীগ সহ আরো লীগ শিরোপা জয় করেন তিনি।
এত যাওয়ার মিছিলে থেকে যান শুধু সে আসরে লীগের সর্বোচ্চ গোলদাতা জেমি ভার্ডি। বড় বড় ক্লাবের সব অফার উপেক্ষা করে ভার্ডি থেকেছেন, খেলেছেন দ্বিতীয় বিভাগও। তবে এবার যে যাচ্ছেন এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড।
ভার্ডি যাচ্ছেন, যে কারণে খালি হচ্ছে অধিনায়কের পদ। আর সেখানেই এই আর্মব্যান্ড উঠছে এক বাংলাদেশীর কাছে।
বাংলাদেশ ফুটবলের ব্রান্ড হামজা চৌধুরি যে এখন লেস্টার সিটির অধিনায়ক।
আগামী মৌসুমে লেস্টারের অধিনায়ক যে হবেন এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার।
ভার্ডির মত হামজারও যে লেস্টারের সাথে টান শিকড়ে।
বাংলাদেশের এই তারকা অবশ্য খেলেছেন ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দলে, ম্যাডিসনের মত তারকাদের সাথে।
সে সময় থেকেই লেস্টারের সাথে সম্পর্ক তার। ২০০৫ সালে লেস্টারের যুব দলে যোগ দেন হামজা।
এরপর ২০১৫ সালে আসেন দলটির মুল দলে। লেস্টারের সাথে দুই দশকের সম্পর্ক হামজার, খেলেছেন মোট ১৩১ ম্যাচে।
মাঝে লোনে ওয়াটফোর্ট, শেফিল্ডের মত ক্লাবে খেললেও হামজার শিকড়টা যে লেস্টারে।
যে কারণে অলিম্পিয়াকোসের অফার আসলেও যে ক্লাব ছাড়েননি হামজা।
গত মৌসুমে দ্বিতীয় বিভাগ লীগে শেফিল্ডের হয়ে দারুণ পারফর্মেঞ্চ করেন হামজা।
এর আগের বছর চ্যাম্পিয়নশিপে ছিলেন লেস্টারের তুরুপের তাস। যদিও গত মৌসুমে এই তারকাকে ব্যাবহার করতে পারেনি লেস্টার।
ফলে ইপিএলে বেশিদিন থাকা হয়নি তাদের। এক মৌসুমের মাঝেই আবারো ইপিএল থেকে চ্যাম্পিয়নশিপে দলটি।
নতুন মৌসুমে আবারো তাই দলটাকে প্রিমিয়ার লীগে নিতে দায়িত্ব তাই হামজার দিকে।
এই মৌসুমে হামজার নেতৃত্বে আবারো প্রিমিয়ার লীগে ফিরতে চাইবে লেস্টার।
একই সাথে চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিততে চাইবে তারা। হামজাকে নিয়ে লক্ষ্য সাজাবে লেস্টার সিটি।
আর সেখানেই নতুন চ্যালেঞ্জ হামজার সামনে। অবশ্য ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় স্তরের শীর্ষ দলের ক্যাপ্টেন্সি পাওয়া, বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য এটা বেশ বড় পাওয়া বটে।
হ্যারি শুটার, ক্রিস্টানসেন, আবদুল ফাতাউয়ো, ফাকুন্দো বুনোত্তে, এই নামগুলোর অধিনায়ক এখন বাংলাদেশের খেলোয়াড়, বাংলাদেশের হামজা।
যে দলের কোচ সাবেক ডাচ লিজেন্ড ভ্যান নিস্টারলয়।
এই হামজাকে লেস্টার দিয়েছে দায়িত্ব, এবার দায়িত্ব দেওয়ার পালা বাংলাদেশের।
এই হামজার নেতৃত্বে লাল সবুজরাও এগিয়ে যাক, এমনটাই থাকবে সমর্থকদের চাওয়া।




