দীর্ঘদিন পর র্যাংকিংএ নিজদের থেকে পিছনে থাকা দলের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল।
আগের ম্যাচে মায়ানমায়ের মাঠে র্যাংকিংএ ৫৫তে থাকা মায়ানমায়ের বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ।
এর আগে বাহরাইনকে শুরুর ম্যাচে ৭ গোল দেয় বাংলাদেশ, যারাও বাংলাদেশ থেকে এগিয়ে ২৮ ধাপ।
এবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে তুর্কিমিনেস্তানকে পায় বাংলাদেশ। আর সেখানেই তান্ডব চালায় পিটার বাটলারের দল।
এদিন বাংলাদেশের গোল উৎসবের শুরুটা করেন আফিদা। শুরুতে ঋতুপুর্ণার ক্রস থেকে বল পান তিনি।
ডি বক্সের বাইরে থেকে তার দুরপাল্লার রকেট শটে কিছুই করার ছিল প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের। এরপর ক্রস থেকে গোল আদায় করেন শামসুন্নাহার।
দারুণ এক ফিনিশিংএ বল জড়ান জালে। ৫ মিনিটে দুই গোল আদায় করে বাংলাদেশ।
১৩ মিনিটে আরো এক গোল আদায় বাংলাদেশ দলের। আবারো গোল আদায় শামসুন্নাহারের। স্কোরিংএ এদিন নিজের ঝলক দেখান এই উইঙ্গার।
১৬ মিনিটে এবার গোল করেন মনিকা। তার করা শট ফেরাতে এলেমেলো তুর্কিমেনিস্তান গোলরক্ষক। একের পর এক গোল হজম করে যেন দিশেহারা হয়ে যান তুর্কি গোলরক্ষক। ফলে ১৯ মিনিটে ঋতুপর্নার সহজ শটটাও ফেরাতে ব্যার্থ হন তিনি।
৪০ মিনিটে এবার বল ক্লিয়ার করতে সামনে আসলেও কাজের কাজ করতে পারেননি এই গোলরক্ষক। ফলে আরো এক গোল পায় বাংলাদেশ।
মাঝে ২০ মিনিটে এক গোল আদায় করেন তহুরা।
একের পর এক গোল দিয়েও এদিন বাড়াবাড়ি করতে দেখা যায়নি বাংলাদেশ দলকে। বরং আরো গোলেই ছিল নিজেদের মনযোগ।
নিজেদেরকে তুলে ধরতে চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ দল। নিজেদেরকে ঝালিয়ে নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে তারা। ম্যাচ কোয়ালিফাই করলেও প্রতিপক্ষকে ছাড় নিতে নারাজ তারা।
আগের দিন পিটার বাটলার ঘোষণা দিয়েছেন তার দল পারফর্মারদের জন্য। যে কারণে প্রতি ম্যাচেই সেই পারফর্মেঞ্চের ধারা একই রাখতে চেয়েছে বাংলাদেশ দল।
আগামী দিনে এশিয়ান মঞ্চে খেলবে লাল সবুজের বাহিনী।
স্বপ্ন আছে বিশ্বকাপে যাওয়ার। তার আগে তো মোটেও ঝিমিয়ে পড়া যাবেনা। লাল সবুজের বাহিনীরা যেন সেই ইঙ্গিতই দিয়ে রাখলেন।




