অনেক জাকজমকপুর্ণভাবে শুরু হয় ইন্ডিয়ান সুপার লীগ আইএসএল। দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবলের জন্য থাকে এটা আলাদা মাইলফলক।
রবার্তো কার্লোস, ডিয়োগা ফোরলান, মার্কো মাতারজ্জি সহ বড় বড় তারকাদের পা পড়ে এই ইন্ডিয়ান সুপার লীগে। প্রথম আসরে বাংলাদেশ থেকেও আসে একজনের ডাক।
মাঝমাঠের কান্ডারি মামুনুলকে দলে নেয় কলকাতার ক্লাব এথলেটিকো ডি কলকাতা।
সেবার অবশ্য মাঠে নামারই সুযোগ হয়নি তার। কলকাতা দলে সুযোগ পেয়ে মামুনুল সেবার আশবাদী হন পরের বছর দশজন বাংলাদেশী খেলোয়াড় সুযোগ পাবেন এই লীগে।
কিন্ত বছরের পর বছর আইএসএল হলেও সেখানে সুযোগ পাননি আর কোন খেলোয়াড়
এবার ঘুচতে যাচ্ছে সেই দুখ, আবারো ইন্ডিয়ান সুপার লীগের মঞ্চে দেখা যাবে এক বাংলাদেশীকে।
বাতাসে এটাই এসেছে খবর, দেশের ফুটবলের শীর্ষ পেজগুলো থেকে জানানো হয়েছে এটাই৷ সেখানে বলা হয়েছে কিছুদিনের মধ্যে শুরু হবে ইন্ডিয়ান সুপার লীগ আইএসএল। নতুন মৌসুমের আগে এবার বাংলাদেশের খেলোয়াড়ের দিকে নজর ভারতের লীগের এক ক্লাবের।
তবে কোন ক্লাব কোন খেলোয়াড়ের দিকে নজর দিয়েছে সেটা জানা যায়নি
এই তালিকায় অনেকে ধারণা করছেন নামটা হতে আরে দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মন।
জাতীয় দলের অভিজ্ঞ এই ক্যাম্পেইনার এর আগে পেয়েছিলেন ইন্ডিয়ান সুপার লীগ খেলার ডাক।
২০২১ সালে দুই ক্লাবের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলেন তিনি৷ তখনকার নর্থ ইষ্ট দলের কোচ জামশেদ নিজে তপু বর্মনের খেলা দেখে তার খেলার প্রেমে পড়েন। ফলে নিজের দলে ডেকে নেন তাকে। যদিও সেবার যাওয়া হয়নি তপু বর্মনের।
গেমটাইমের কথা বিবেচনা করে ভারতে না গিয়ে বসুন্ধরায় খেলেন তপু। তাই আবারো যদি ডাক আসে বাংলাদেশী এই ডিফেন্ডারের, তাতে অবাক হবার কিছু থাকবেনা।
এই নামটা হতে পারে জামাল ভুইয়া। এর আগে বাইরের লীগে গিয়ে খেলেছেন জামাল।
ভারতের কলকাতা মোহামেডান এর হয়েও মাঠ মাতিয়েছেন তিনি।
এছাড়া ভারতীয়দের কাছেও জামাল ভুইয়া বেশ বড় নাম। অনেক ভারতীয় ফুটবল ভক্তরাও তাকে চিনে থাকেন।
দেশের ফুটবলের এই তারকাকেও তাই ডাকার সম্ভাবনা থাকতে পারে আইএসএলের কোন ক্লাবের।
সব মিলিয়ে কে খেলতে পারেন ইন্ডিয়ান সুপার লীগ, তা নিশ্চিত নয়।
তবে শেষ পর্যন্ত যদি কেউ বাংলাদেশ থেকে সুযোগ পান, সেটা হবে বাংলাদেশের জন্য দারুণ কিছু।
বাইরের লীগে খেলার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ফুটবলার যোগ হলে দলে আসবে বৈচিত্র্য। যা আগামী দিনে বাংলাদেশ ফুটবল উন্নয়নে কাজে লাগতে পারে।




