শুরুটা করেছিলেন ববি চার্লটন। ইংলিশদের স্বপ্নজয়ের কারিগর এই তারকা।
ইংল্যান্ডের একমাত্র বিশ্বকাপ আসে তার হাত ধরে৷ ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ জয়ের বছরেই পান ব্যলন ডি অর পুরষ্কার।
আর ১৯৬৮ সালে তার দল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনাল জয় করে ৪-১ গোলে। সেখানে জয় করেন চ্যাম্পিয়নস লীগ।
চার্লটন শুরু করেছিলেন, শেষ করেন লিওনেল মেসি। তিনিও চার্লটনের মত বিশ্বকাপ জয়ের বছর ব্যলন ডি অর পান, তবে এর সাথে পান আরো ৭ ব্যালন ডি অর।
আর চ্যাম্পিয়নস লীগ জয় করেন মোট ৪ বার। এই তালিকায় সবচেয়ে সমৃদ্ধ নাম আর্জেন্টাইন মেসিইই।
তবে এই তালিকায় রাজত্ব ব্রাজিলিয়ানদের। সর্বশেষ কাকার ঘরে গেছে এই পুরষ্কার। সেখানে ২০০২ সালে বিশ্বকাপ জয় করেন কাকা।
একই বছর কাকার সাথে বিশ্বকাপ জয় করেন আরেক ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদিনহো।
বিশ্বকাপ জয়ের পর অবশ্য ৩ বছর অপেক্ষা করতে হয় রোনালদিনহোকে ব্যালন জয়ের জন্য, ২০০৫ সালে জয় করেন ব্যালন ডি অর।
এরপরের মৌসুম ২০০৫-০৬ সালে জয় করেন বার্সেলোনার হয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগ।
রোনালদিনহো চ্যাম্পিয়নস লীগ জয়ের পরের মৌসুমে এসি মিলানকে নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগ জয় করেন কাকা। অসাধারণ পারফর্মেঞ্চ করে সেই বছরই অর্থ্যাৎ ২০০৭ সালে পান ব্যালন ডি অর।
তবে রোনালদিনহো কাকা নন, ব্রাজিলের হয়ে সর্বপ্রথম এই পুরষ্কার পান রিভালদো৷ ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপিয়ানরা জয় করত ব্যালন ডি অর।
১৯৯৯ সালে প্রথম লাতিন হিসেবে এই পুরষ্কার যায় রিভালদোর কাছে।
এরপর ২০০২ সালে বিশ্বকাপ ও ২০০২/০৩ মৌসুমে এসি মিলানের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগ জয় করেন তিনি।
এই তালিকায় আছেন ফ্রাঞ্চের জিনেদিন জিদান ও ইতালির পাওলো রসি।
এছাড়া জার্মানি থেকে গার্ড মুলার ও ফ্রেঞ্চ বেকেনবাওয়ার এই তালিকায় আছে।
জিদান ও পাওলো রসি জনই ব্যালন জয় করেন বিশ্বকাপ জয়ের বছর।
১৯৮২ ও ১৯৯৮ সালে তাদের কাছে যায় সম্মাজনক বিশ্বকাপ ও ব্যালন ডি অর।
১৯৭০ সালে বিশ্বকাপ জয় না করলেও ব্যালন জয় করেন গার্ড মুলার।
আর এই তালিকায় লিওনেল মেসির পর একাধিক ব্যালন ডি অর জয়ী খেলোয়াড় জার্মানির ফ্রেঞ্চ বেকেনবাওয়ার।
১৯৭৪ সালে বিশ্বকাপ জয় করা বেকেনবাওয়ার ব্যালন জয় করেন ১৯৭২ ও ১৯৭৬ সালে।
ছেলেদের বাইরে মোট ২ নারী ফুটবলারের আছে এই সম্মান। সেই দুইজনই এসেছেন স্পেন ও বার্সেলোনা থেকে।
বলা হচ্ছে এলেক্সিয়া পুতেলাস ও আইতানা বোনামতি সম্পর্কে।
সব মিলিয়ে যদি শুরু থেকেই ইউরোপীয়ানদের বাইরে ব্যালন ডি অর দেওয়া হত, তবে তালিকায় বাড়ত যে ব্রাজিলিয়ানদের নাম তাতে নেই সন্দেহ।




