লঙ্কানদের বিপক্ষে টি২০ সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে আবারো এই ফরম্যাটে খেলতে নামছে বাংলাদেশ।
মাত্র ৩ দিন বিরতি দিয়ে আবারো মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। এশিয়া কাপের আগে এবার বাংলাদেশের সিরিজ পাকিস্তানের বিপক্ষে।
শক্তিশালী দলটির বিপক্ষে টাইগারদের সিরিজ ঘরের মাঠেই। সেখানে কেমন হবে বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপ, সেটাই এখন প্রশ্ন।
বিশেষ করে অঙ্ক হচ্ছে সম্ভাব্য পেস বোলিং ত্রয়ী সম্পর্কে। দলের ৫ পেসারের সবাই গত সিরিজ খেলেছেন।
সেখানে একমাত্র মুস্তাফিজ এই মুহুর্তে দলের অটো চয়েস বোলার। টি২০ ক্রিকেটে ফিজের ফর্ম দারুণ।
এই বছর ফিজ খেলা সবগুলো টি২০ ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ দল। ডেথ ওভারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ভরসার নাম ফিজ।
তাই বোলিং লাইনআপে ফিজ থাকছেন এমনটাই বলা যায়।
কিন্ত কারা হবেন ফিজের সঙ্গী? এই তালিকায় আছেন ৪ জন। এই ৪ জনের মাঝে কোন দুইজনকে নিলে অবাক হবার থাকবেনা।
তাসকিন বাংলাদেশের ফ্রন্টলাইন বোলারদের একজন। কিন্ত সাম্প্রতিক সময়ে টি২০ তে ফর্মে নেই তিনি।
লঙ্কানদের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে ছিলেন খরুচে। যদিও পাকিস্তানের বিপক্ষে আবার তাসকিনের রেকর্ড ভালো।
তাই নতুন সিরিজে ছন্দে ফিরতে সুযোগ দেওয়া হতে পারে তাকে।
অপরদিকে গত সিরিজে সুযোগ পেয়ে এক ম্যাচে দারুণ বোলিং করেন শরীফুল। কিন্ত শেষ ম্যাচে আবার ছিলেন বেশ খরুচে।
বোলিংএ ধার বেড়েছে তার, আগের মত করতে পারেন শার্প সুইং। তবে ডেথ বোলিংএ এখনও ভরসাযোগ্য হতে পারেননি শরীফুল।
সুযোগ পেয়ে আহামরি করতে পারেননি সাইফুদ্দিন। আবার খারাপও করেননি তিনি। অপরদিকে লঙ্কান সিরিজ ভালো যায়নি তানজিম সাকিবের।
তবে এর আগে অনেক সিরিজে বাংলাদেশের ত্রাতা হয়েছেন এই পেসার। গতি, আগ্রাসনে নতুন বলে বাংলাদেশের বড় অস্ত্র হতে পারেন সাকিব।
এই মুহুর্তে তাই দুই ভাগে ভাগ করা যায় এই সেলেকশন। সবকিছু ঠিক থাকলে ফিজ থাকবেন দলে।
আর সাইফ ও সাকিবের ভিতর অলরাউন্ডার ক্যাটাগরিতে আসবেন একজন। অপরদিকে শরীফুল ও তাসকিনের ভিতর থেকে দলে আসবেন একজন।
মোটামুটি ধারণা করা যায় ফিজের সাথে দলে থাকবেন সাইফ ও শরীফুল। সাইফের ব্যাটিংটাকে আরো কাজে লাগাতে চাইবে বাংলাদেশ।
তবে এর ব্যাতিক্রম হলেও নেই আশ্চর্য হবার কিছু। দেখা যাক, আজ একাদশে কারাই থাকেন পেসার হিসেবে।




