অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল হংকং,তবে ছোট ফরম্যাটের ক্রিকেটে হতে পারে সবকিছুই।
আফাগানদের সাথে উড়ে যাওয়া হংকং আজ ব্যাট হাতে ছিলো বেশ সাবলিল।শুরুতে ২ উইকেট হারালেও,১৪৪ রানের টার্গেট দেয় তারা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেউ ব্যাট চালান পারভেজ হোসেন ইমন তবে,তবে এক ছয়,দুই চারে ১৯ রান করে,আয়ুশ শুকলার বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
ক্রিজে লিটন আসলেও লিটনের সাথে জুটি বড় করতে পারেননি ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম,পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ১৮ বলে মাত্র ১৪ করা তামিম ফেরেন আতিক ইকবালের বলে।
তবে এরপরই টাইগারদের হয়ে জুটি গড়েন লিটন দাস, ও তাকে যোগ্য সঙ্গি দেন তাওহীদ হৃদয়।
এই দুই জনের পার্টনারশিপেই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় টাইগারদের প্রথম ম্যাচের জয়।
এর আগে আবুধাবির শেখ জায়েদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে শুরুতে হংকংকে ব্যাটিংয়ে পাঠান টাইগার অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় হংকং।
দলীয় ৭ রানে তাসকিনের বলে ব্যক্তিগত ৪ রানে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন হংকং ওপেনার আংশুমান রাঠ।
আংশুমান আউট হলে ব্যাট হাতে ক্রিজে আসে হংকংয়ের অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর হায়াত, ফিজে এসে শুরু থেকেই ব্যাট চালানোর চেষ্টা করেন হায়াত।
পাওয়ার প্লেরে ৫ম ওভারে তানজিম হাসান সাকিবকে ছক্কা মেরে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়ে টিকতে পারেননি হায়াত।
তার পরের বলে সাকিবের বলে ব্যক্তিগত ১২ বলে ১৪ রানে বোল্ড আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন।
বাবরকে হারিয়ে আরও চাপে পড়ে হংকং। দলকে চাপ থেকে তুলে নেওয়ার চেষ্টায় ব্যাট চালাতে থাকেন আরেক ওপেনার জিসান আলী।
পাওয়ার প্লে শেষে জিসানের ব্যাটে ভর করে কিছুটা চাপ সামলে ওঠে হংকং।
দলীয় ১১.৩ বলে ৭১ রানের মাথায় তানজিম সাকিবের বলে বড় শর্ট খেলতে গিয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের দারুণ ক্যাচে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৪ বলে ৩০ রানে আউট হন জিসান আলী।
জিসানের বিদায়ের পর ব্যাট হাতে মাঠে আসেন দলীয় অধিনায়ক ইয়াসিম মর্তুজা—নিজাকাত খানকে সঙ্গে নিয়ে দলকে বড় সংগ্রগের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে মর্তুজা।
দলীয় ১৭.১ বলে ১১৭ রানের মাথায় ভুল বোঝাবুঝিতে ১৯ বলে ২ চার ২ ছক্কায় ২৮ রান করে আউট হন হংকং অধিনায়ক।
শেষদিকে নিজাকাত খানের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে হংকং।
যা যথেষ্ট ছিলোনা জয়ের জন্য।




