জামাল, তারেকরা একটা প্রজন্ম দেখিয়েছেন, সেখান থেকে হামজা, সোমিতরা আরেকটা প্রজন্ম এর স্বাক্ষর বয়ে নিয়ে গেছেন।
বর্তমানে তাদের পর আরো প্রবাসী ফুটবলাররা আসছেন বাংলাদেশ দলে। সাফ অনুর্দ্ধ ২০ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রাথমিক স্কোয়াডেই ডাক পেয়েছেন ৫ থেকে ৬ জন। তবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামটা সম্ভবত হবেন শুশ্রুত মন্ডল।
১৮ বছর বয়সী শুশ্রুতের ঠিকানা কানাডা। যে দেশটা ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ খেলবে স্বাগতিক হিসেবে।
সেই দেশের কানাডা কলেজ লীগে খেলেন শুশ্রুত মন্ডল। কানাডা কলেজ লীগে শুশ্রুত মন্ডলের ক্লাব ডওসন কলেজ। যারা কানাডা কলেজ লীগে শীর্ষ ডিভিশনে খেলে থাকে।
আর সেই দলেই খেলেন শুশ্রত। এখনও টিনেজে থাকা শুশ্রুত ডিফেন্স থেকে এট্যাক, সবখানেই পারেন খেলতে।
রাইট ব্যাক কিংবা রাইট উইঙেও খেলতে পারেন। আবার দলের প্রয়োজনে হতে পারেন সেন্ট্রাল ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। অর্থ্যাৎ ডানদিকে ভালো কন্ট্রোল রয়েছে শুশ্রুতের।
শুশ্রুত যে কানাডা কলেজ লীগে খেলেন, সেই কানাডা কলেজ লীগ থেকেই উঠে এসেছেন সোমিত সোম।
যেই সোমিত খেলেছেন এমএলএসে, এর বাইরে কানাডা জাতীয় দলেও খেলেছিলেন এই মিডফিল্ডার। এর বাইরে কানাডা কলেজ লীগ থেকে উঠে এসে জার্মানির বুন্দেসলীগায়ও সুযোগ পেয়েছেন একাধিক খেলোয়াড়। কানাডা জাতীয় দলে খেলা খেলোয়াড়ের সংখ্যাও কম নয়। সেই কানাডা কলেজ লীগের অংশ শুশ্রুত, অর্থ্যাৎ ভালো জায়গায়ই আছেন তিনি।
১৮ এর মন্ডলের কথা তাই নিজে জানিয়েছেন বাফুফে সহ সভাপতি। নিজের এক ভিডিওতে ফাহাদ করিম জানিয়ে দেন, কানাডা থেকে শুশ্রুত আসছেন, খুব শীঘ্রিই খেলবেন দেশের জার্সিতে।
শুরুতে অনুর্দ্ধ ২০ দলে খেলবেন তিনি, এরপর ভালো করলে খুলে যাবে জাতীয় দলের দরজা। সোমিত ছাড়াও অনুপ্রেরণা হিসেবে জায়ান আহমেদকে দেখতে পারেন শুশ্রুত।
তার মত কলেজ লীগ থেকে এসে জায়ান খেলেছেন বয়সভিত্তিক দলে, এরপর ডাক পেয়েছেন জাতীয় দলে। সেই স্বপ্নই বোধহয় দেখছেন এই প্রবাসী খেলোয়াড়, আর তাই আসা বয়সভিত্তিক দলে।
বাংলাদেশ দলেও দরকার শুশ্রুতকে। ফুলব্যাকে বাংলাদেশের সমস্যা নতুন নয়, এট্যাকেও নেই পর্যাপ্ত ব্যাকাপ। আর সেখানে আগামী দিনে শুশ্রুতের মাঝে আশা দেখতে চাইবে ভক্তরা।
যদিও আগামী দিনে পথটা এখনও দূর এই যুবকের। তবে তার মত প্রবাসীদের দেশের হয়ে খেলতে চাওয়া ও বয়সভিত্তিকে সুযোগ পাওয়া প্রমাণ করে, নতুন করে জাগরণ এসেছে বাংলাদেশের ফুটবলে।




