রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘ওকে ডিয়ারিও’কে উদ্ধৃত করে সাংবাদিক এদুয়ার্দো ইন্দা জানিয়েছেন, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে খেলার স্বপ্নের কথা ইতোমধ্যেই মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে রিয়াল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিয়েছেন এনজো।
রিয়ালের প্রতি এনজোর এই আগ্রহ নতুন নয়। আগেও একাধিক প্রতিবেদনে মাদ্রিদের প্রতি তাঁর ‘দুর্বলতার কথা উঠে এসেছে। গত গ্রীষ্মের দলবদল বাজারেও তাঁর নাম রিয়ালের সঙ্গে জড়িয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত চেলসিতেই থেকে যেতে হয় তাঁকে।
তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই আগ্রহ আরও স্পষ্ট হয়েছে বলেই দাবি স্প্যানিশ গণমাধ্যমের।
রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে চেলসিতে যোগ দেওয়া এই মিডফিল্ডার নাকি এখন ক্লাবের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং লন্ডনের জীবনযাপন,দুটো নিয়েই হতাশ। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বারবার রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি গায়ে তোলার ইচ্ছার কথা বলেছেন।
ইউরোপের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের হয়ে খেলার আকর্ষণই নাকি তাঁকে বারবার টানছে।
অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদও নতুন মৌসুমে মধ্যমাঠ আরও শক্তিশালী করতে চায়।
টনি ক্রুস ও লুকা মদরিচের বিদায় বিবেচনায় রেখে ক্লাবটি একজন বিশ্বমানের, তরুণ অথচ অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার খুঁজছে। সেই প্রেক্ষাপটে এনজো ফার্নান্দেজের নাম অভ্যন্তরীণ আলোচনায় এসেছে বলে জানা গেছে।
তবে এই সম্ভাব্য দলবদলের পথে সবচেয়ে বড় বাধা এনজোর বিশাল ট্রান্সফার ফি।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বেনফিকা থেকে ১২১ মিলিয়ন ইউরোতে তাঁকে দলে ভেড়ায় চেলসি।
লন্ডনের ক্লাবটি ২৫ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারকে বিক্রি করতে ১৪০ মিলিয়ন ইউরোর কমে আলোচনায় বসতে রাজি নয়। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কারণেও চেলসির অবস্থান শক্ত।
চেলসির হয়ে এখন পর্যন্ত ১০৫ ম্যাচে ২৭ গোল করেছেন এনজো। ক্লাবটির সঙ্গে তাঁর চুক্তি রয়েছে ২০৩২ সাল পর্যন্ত।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার মধ্যমাঠের প্রাণভোমরা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন তিনি এবং টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন।
সব মিলিয়ে, এনজোর বার্নাব্যু স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে কি না,তা নির্ভর করছে মূলত দুই ক্লাবের আর্থিক অবস্থান ও সমঝোতার ওপর। তবে আগ্রহ যে দুই পক্ষেরই আছে, তা আর গোপন নেই।




