একসময় মেসির পাশে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে আলোচনায় থাকতেন তিনি,আর সেই মার্কোস রোহো এবার শিরোনামে এসেছেন তার আচরণের কারণে।
গত রোববার রেসিং ক্লাব ও রিভার প্লেটের মধ্যকার ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ঘটে এই উত্তপ্ত ঘটনা, যা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
ম্যাচের একদম শেষ দিকে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে কনুই দিয়ে আঘাত করেন রোহো। ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে রেফারির চোখ এড়িয়ে গেলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলান ম্যাচ অফিসিয়াল সেবাস্তিয়ান জুনিনো।
ভিডিও ফুটেজ দেখে তিনি রোহোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
তবে আসল নাটক শুরু হয় মাঠ ছাড়ার সময়। সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের সংযম হারিয়ে ফেলেন রোহো। রেফারিকে উদ্দেশ্য করে আক্রমণাত্মক ভাষায় কথা বলতে দেখা যায় তাকে।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম এল গ্রাফিকোর তথ্য অনুযায়ী, তিনি রেফারিকে উদ্দেশ্য করে অপমানজনক মন্তব্য করেন এবং এক পর্যায়ে অকথ্য ভাষাও ব্যবহার করেন। ম্যাচ রিপোর্টে রেফারি নিজেও এই ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন।
শুধু রোহোই নন, ম্যাচ চলাকালীন অতিরিক্ত প্রতিবাদের কারণে রেসিং ক্লাবের সহকারী কোচ হোসে ফ্রান্সিসকো বার্সেও লাল কার্ড দেখেন। পুরো ঘটনাটি মাঠে উত্তেজনার মাত্রা কতটা ছিল, সেটাই যেন স্পষ্ট করে।
৩৬ বছর বয়সী এই ফুটবলারের জন্য এমন ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। পরিসংখ্যান বলছে, আর্জেন্টাইন ফুটবলে এটি তার ষষ্ঠ লাল কার্ড। আশ্চর্যের বিষয়, এর মধ্যে তিনটিই এসেছে রিভার প্লেটের বিপক্ষে ম্যাচে। ফলে তার এই আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে আরও জোরালোভাবে।
ফুটবলবিশ্লেষকদের মতে, শুধু লাল কার্ড নয়,রেফারির প্রতি এমন আচরণ বড় ধরনের শাস্তির কারণ হতে পারে। ডিসিপ্লিনারি কমিটি ইতোমধ্যেই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং একাধিক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
উল্লেখযোগ্য যে, ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হওয়া রোহো আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ৬৮টি ম্যাচ খেলেছেন। ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি।




