একটা সময় ফ্রাঞ্চাইজী ক্রিকেটে যেন হারিকেন দিয়েও খুজে পাওয়া যেতোনা বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের। যেকোন লীগে ঘুরে ফিরে থাকত সাকিব আল হাসান বা মুস্তাফিজুর রহমানের নাম।
সেখানেও আবার অনেকক্ষেত্রে মিলত না সুযোগ, আবার অনেকক্ষেত্রে মিলত না এনওসি। তবে বর্তমানে যেন বদলেছে সময়। ফ্রাঞ্চাইজী ক্রিকেটে যেন দারুণ সুসময় চলছে বাংলাদেশ দলের।

বর্তমান চলছে দুটি ফ্রাঞ্চাইজী আসর। দুই আসরেই খেলছেন একাধিক বাংলাদেশী ক্রিকেটার। লঙ্কা প্রিমিয়ার লীগে তো বসেছে বাংলাদেশীদের মেলা।
জাফনা কিংসের হয়ে খেলছেন বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। একই দলের হয়ে এবার খেলতে এলেন তাওহিদ হৃদয়। শুরুর ম্যাচে ক্যামিও খেলে দলের জয়েও রাখলেন ভুমিকা।
শুরুর ম্যাচে ক্যামিও খেললেন নুরুল হাসান সোহানও। ওপেনিং নেমেই বাজিমাত করেছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।
আবার সোহান নেমেছেন মেহেদী হাসান মিরাজের বদলে ওপেনে। এর আগে একাধিক ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন এই অলরাউন্ডার।
লঙ্কা লীগে খেলেছেন হাসান মাহমুদ। একাধিক ম্যাচে দলের শীর্ষ উইকেট সংগ্রাহক ছিলেন হাসান। আবার আগামী সিরিজের জন্য হাসান চলে গেলে তার বদলে রিপন মন্ডলকে নেওয়ার জন্য ছিল আলোচনা।
অপরদিকে এই আসরের জন্য আগেই নেওয়া হয়েছিল লিটন দাসের মত ব্যাটসম্যানকে। তবে ইঞ্জুরির জন্য আসর খেলা হয়নি তার। অপরদিকে সুযোগ পেয়েও দেশের জন্য নিজেকে সরিয়ে নেন তাসকিন।
লঙ্কানদের ডেরায় খেলছেন এত ক্রিকেটার, ঐদিকে ক্যারিবিয় অঞ্চলে কাপাচ্ছেন ইমন। শুরুর ম্যাচে ইমন করেছেন ৩ রান।
এরপরের দুই ম্যাচে ১৫০ এর অধিক স্ট্রাইক রেটে করেছেন ৭০ রান, গড়টাও একই। বেশ ভালো যে ফর্মে আছেন, তার প্রমাণ দিচ্ছেন তিনি।
অপরদিকে ইমনের সাথে আরেক বাংলাদেশী শামীম হোসেনকেও একই দলে ডেকেছে লাহোর। গুঞ্জন আছে আরেক বাংলাদেশী রিশাদও পেয়েছেন দল, এই লেগীর ঠিকানা হতে পারে পার্থে।
অপরদিকে দ্যা হান্ড্রেডেও দল পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। বার্মিংহামের হয়ে ইংল্যান্ড মাতানোর কথা ছিল তার, তবে সেটা হয়নি ইঞ্জুরির জন্য।
অর্থ্যাৎ একই সময়ে হওয়া সব লীগেই ডাক এসেছে ভিন্ন ভিন্ন বাংলাদেশের খেলোয়াড়ের। ফ্রাঞ্চাইজী ক্রিকেটে এমন দিন আগে দেখেনি বাংলাদেশ দল। আর সেটাই হতে পারে এই বৈশ্বিক ফ্রাঞ্চাইজী ক্রিকেটে বাংলাদেশের নতুন জাগরণ।




