সর্বশেষ মাঠে নেমেছিলেন মে মাসে।।সিরিআ তে সে ম্যাচে গোল না পেলেও পেয়েছিলেন জোড়া এসিস্ট।
এর আগের দুই ম্যাচেও ছিল দারুণ এক এসিস্ট। নিজের চেনা ছন্দটাই যেন খুজে পাচ্ছিলেন পাওলো দিবালা। তবে সেটা দেখানোর জন্য বড় মঞ্চে নিজেকে দেখানোর পেলেননা সুযোগ।
২০২২ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন দলের একজন ছিলেন পাওলো দিবালা৷ তবে। ২০২৬ সালে এসে স্কালোনির মন জয় করতে পারলেন না। ৪ বছর পর সুস্থ্য থেকেই বিশ্বকাপ থেকে পড়লেন বাদ।
অগত্য দিবালাকে তাই ঘরে বসেই দেখতে হলো বিশ্বকাপ। কিন্ত সেখানেও দলের হার দেখাটা মোটেও ভালো লাগেনি এই তারকার।
সেই বিশ্বকাপ শেষে সবাই ছুটিতে। বিশ্বকাপ না খেলা দিবালা নেমে পড়েছেন মাঠে। শুধু মাঠেই নামেননি, আদায় করেছেন গোলও। সেটা আবার একবার নয়, করেছেন জোড়া গোল। এক ম্যাচেই দুইবার বল জড়িয়েছেন জালে, দিবালা জানান দিলেন নিজেকে।
কানেসের বিপক্ষে ৩৫ মিনিটে শুরুর গোলটাই আসে দিবালার পা থেকে। সেটাও আবার আসে দুর্দান্ত এক ফ্রিকিক থেকে। তার বা পায়ের টপ কর্নার ফ্রিকিকের উত্তর ছিল না প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের কাছে। আর সেখানেই লিড পায় তার দল।
এরপর ৪৫ মিনিটে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন দিবালা। ডানদিক থেকে কোনায় বল পেয়ে ভাবা হচ্ছিল তিনি ক্রস করবেন।
কিন্ত তিনি ক্রস করেননি, বরং বল নিয়ে ঢুকে যান বক্সের দিকে। আর সেখানেই সামনে তাকে বাধা দিতে আসেন একজন। তাকেও কাটিয়ে যান দিবালা। এরপর দিবালা তার বা পায়ের ফিনিশিংএ করেন গোল । সেখানে লিড ডাবল করে ফেলে তার দল রোমা।
প্রীতি ম্যাচে ৬০ মিনিটে তাকে তুলে নেন কোচ। তবে এই ৬০ মিনিটে দিবালা নিজেকে জানান দিলেন মাঠের শিল্পকর্মে।
হয়ত আরো আফসোস বাড়িয়ে দিলেন আর্জেন্টাইন ভক্তদের।
হয়ত দিবালার মত উইঙ্গার থাকলে ফাইনালের গল্পটা হতে পারত অন্যরকম৷ হয়তবা গঞ্জালেস বা আলমাদার জায়গায় দিবালা থাকলে আক্রমণের ধার বাড়ত, আর্জেন্টিনা করতে পারত আরো ডমিনেট।
একইসাথে মেসি – দিবালা জুটি দেখা যেতে পারত বিশ্বকাপে, যা আর্জেন্টাইন ভক্তদের করতে আরো পুলকিত। তবে দিবালার এমন পারফর্মেঞ্চ যেন তার চুড়ান্ত ফেরার শুরু হয়, এটাই এখন প্রত্যাশা ভক্তদের




