সাকিব আল হাসান বলেছিলেন হাসান মাহমুদ বেশিই ভালো। কেন্টের সতীর্থ পেসার বলেছিলেন হাসান টপ লেভেলের একজন খেলোয়াড়।
লোকে বলে মুখের কথায় চিড়ে ভিজেনা। হাসান মুখের কথায় না, নিজের কাজেই ভিজিয়েছেন চিড়ে। আর তাতে উপকৃত হয়েছে কেন্ট দল।
আরো একবার কেন্টের জয়ের নায়ক হয়েছেন হাসান মাহমুদ।
ওয়ার্কেস্টাশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে চার উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। শুরুর দুই ব্যাটারই ফিরে যান হাসানের বলের কোন উত্তর না পেয়ে।
জ্যাক লেবি ও রেহানকে শুরুতেই ফিরিয়ে নিজের আগমণের জানান দেন হাসান। এরপর শেষের দিকে এসে টেল এন্ডারদের ইনিংস বড় করতে দেননি বাংলাদেশী এই পেসার। ১৫ রান করা ম্যাথু ওয়েটেকে ফেরান স্টাম্প উপচে ফেলে।
এরপর ৭ রান করা এডাম ফিঞ্চ ফিরে গেলে অলআউট হয় ওয়ার্কাস্টাশায়ার। আর তাতে প্রথম ইনিংসে লিড পায় হাসানের দল কেন্ট।
এরপর দ্বিতীয় ইনিংসেও একইভাবে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে বাংলার এই পেসার। এডাম হোসকে লেগ বিফোরে ফেলে শুরু করেন উইকেট নেওয়ার কাজ।
এরপর ভাঙেন ৮৬ রানের এক অনবদ্য জুটি। যে জুটির উপর ভর করে জয়ের স্বপ্নও দেখে ওয়ার্কাশায়ার।
সেখানে ৪৫ করা হেনরি কালানকে বোল্ড করেন বাংলার হাসান মাহমুদ। শেষদিকে লেগ বিফোরে ফালান এলিসনকে, তাতেই যেন জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় প্রতিপক্ষের।
এই ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়েছেন হাসান, যার সবগুলো বোল্ড ও লেগ বিফোর। অর্থ্যাৎ হাসানের বল রিড করতেই ব্যার্থ হচ্ছেন ব্যাটসম্যানরা।
কেন্টের হয়ে মোট ৩ ম্যাচ খেলেছেন হাসান মাহমুদ। এর মাঝে কেন্ট জয় পায় একাধিক ম্যাচ। সেখানে ৩ ম্যাচে ১৯ উইকেট নেন এই ডানহাতি পেসার। কেন্টের হয়ে বাংলার এই পেসার যে আর্শীবাদ, সেটা বুঝতে বাকি নেই কারো
এই হাসান শুধু কেন্টের নয়, আর্শীবাদ বাংলার ক্রিকেটেও। টেষ্ট ক্রিকেটে হাসানের থেকে আগামী দিনে প্রত্যাশাটা বেশিই থাকবে।
অজিদের বিপক্ষে ইতিহাসের পর হাসানের বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি বেড়েছে।
কাউন্টি ক্রিকেটের পর তাকে নিয়ে অন্তত লাল বলে উচ্চ আশাবাদী থাকবেন ভক্তরা। ভক্তদের সেই আস্থার প্রতিফলন করতে হবে হাসানকেই। এই মুহুর্তে হাসানকে তাই দেশের ক্রিকেটে লাল বলের সেরা পেসার বললেও হবেনা তেমন ভুল।




