২৫ মার্চ ভারতের বিপাক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সেখানে বাংলাদেশের একাদশে
আক্রমণভাগে গতির ঝলক দিয়ে বামদিকে থাকবেন রাকিব হোসেন। গতি ও ফিনিশিংএ বাংলাদেশের সেরা আক্রমণভাগের খেলোয়াড় তিনি। এছাড়া দলের অন্যতম সেরা তারকাও তিনি।তার সাথে এটাকিংয়ে চমক হবেন ফাহমিদুল ইসলাম,ইতালিয়ান ক্লাবে খেলা এই খেলোয়াড়ের হবে অভিষেক। আর এদের মাঝে দেখা যাবে পিয়াস আহমেদ নোভাকে। এর আগে বয়সভিত্তিক দল ও ক্লাবে নিয়মিত গোল করেছেন নোভা।
গোলরক্ষক পজিশনে আনিসুর জিকো আর মিতুল মার্মার হবে লড়াই৷ তবে এগিয়ে থাকবেন রাঙামাটির মিতুলই। কেননা এবারের বিপিএলেও ভালো করছেন এই তরুণ গোলরক্ষক। শেষ ম্যাচেও বাংলাদেশের একাদশে ছিলেন মিতুল। ভারতের বিপক্ষেও শুরুর একাদশে দেখা যাবে আবহানির এই গোলরক্ষককে।
সেন্টার ব্যাকে তপু বর্মন থাকবেন একাদশে। তার সাথে জুটি গড়তে দেখা যাবে তারেক কাজীকে। এই দুইজন মিলে সেন্টার ব্যাক পজিশনে বেশ ভারসাম্য গড়তে পারবে বাংলাদেশ দল। লেফট ব্যাক পজিশনে দেখা যাবে ঈসা ফয়সালকে। ২৫ বছর বয়সী এই লেফট ব্যাক এই মৌসুমে বাংলাদেশ পুলিশের হয়ে ভালো প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। এছাড়া এই দলটির নেতৃত্বের সাথে টুর্নামেন্টে পেয়েছেন এক এসিস্টও। তার সাথে রাইট ব্যাকে আসবেন বিশ্বনাথ ঘোষ।
মিডফিল্ড পজিশনে মধুর সমস্যায় দল। সেখানে তিন ভিন দেশে বেড়ে উঠা ফুটবলার নিজেকে প্রমাণ করেছেন, নিজের স্কিল দিয়ে নজর কেড়েছেন। এদের সাথে লোকাল ফুটবলারদের মধ্যেও আছে দারুণ প্রতিভা। হৃদয়, জনি, মিরাজুলরা ক্লাবে দলের নিয়মিত পারফর্মার। তবে হামজা দলে আসায় ও শেষ ম্যাচে দারুণ পারফর্মেঞ্চ করায় হামজা চৌধুরি ও কাজেম শাহ এর দলে থাকা অনেকটা নিশ্চিত। এদের সাথে থাকবেন জাতীয় দলের অধিনায়ক ও ডেনমার্ক থেকে আসা জামাল ভুইয়া। তবে জামাল ও হামজা দুজনই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হওয়ায় জামালের পরিবর্তে একাদশে থাকতে পারেন মুরসালিন।সেক্ষেত্রে জামালকে নিয়ে ৪ মিড ফিল্ডার দিয়েও সাজানো হতে পারে একাদশ।
সব মিলিয়ে সম্ভাব্য এই একাদশ নিয়ে ভারতের বিপক্ষে মার্চে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এবার দেখা যাক সেখানে কেমন করে টাইগাররা।




