সামনে ব্যাস্ত সুচি রিয়াল মাদ্রিদের। একদিকে লীগ ডিসাইডার ম্যাচে প্রতিপক্ষ লোকাল রাইভাল এথলেটিকো মাদ্রিদ। এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লীগে টিকে থাকার লড়াইয়ে মাদ্রিদ মুখোমুখি হবে ম্যানচেস্টার সিটির। এমন মহারণের আগে কোপা দেল রের ম্যাচে খেলোয়াড়দের বিশ্রামে দিতে চেয়েছেন কোচ আনচেলত্তি। আর সেখানেই একাদশে জায়গা পান ব্রাজিলের তরুণ এন্ড্রিক।
আর সেই সুযোগটাই কি দুর্দান্ত কাজে লাগান এন্ড্রিক। এদিন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গোল করতে মাত্র ২৫ মিনিট লাগে এন্ড্রিকের। মদ্রিচের পর এন্ড্রিক গোল করেন মাদ্রিদের হয়ে। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের বল ক্লিয়ার করতে না পারার সুযোগ নিয়ে দূর থেকে আসেন এন্ড্রিক। কোন কিছু বুঝে উঠার সুযোগ না দিয়েই করেন দারুণ গতিসম্পন্ন এক শট। আর সেটা জালের ঠিকানা খুজে পায়। পরবর্তীতে জমজমাট এই ম্যাচটি ৩-২ ব্যাবধানে জয় পায় রিয়াল মাদ্রিদ।
এর আগের কোপা দেল রের ম্যাচেও রিয়াল মাদ্রিদের ত্রাতা হন এন্ড্রিক। সেবার বদলি নেমে সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে জোড়া গোল করেন এন্ড্রিক। আর সেখানে ২-২ থেকে শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলে জয় পায় তার দল রিয়াল মাদ্রিদ। সে ম্যাচে বদলি হিসেবে নামলেও ভিনি, এমবাপ্পেদের অনুপস্থিতিতে লেগানেসের বিপক্ষে শুরুর একাদশেই সুযোগ পান এন্ড্রিক। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগান এই ব্রাজিলিয়ান।
এই মৌসুমে সব মিলিয়ে ৫ গোল করেন এন্ড্রিক। সং্খ্যার বিচারে খুব বেশি বড় মনে হবার কথা নয়। তবে একটা দিকে এন্ড্রিক এগিয়ে আছেন অন্যদের দিকে। নিজের খেলা ৬৫ মিনিটে এক গোল করেন এন্ড্রিক। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এই মৌসুমে এন্ড্রিকের চেয়ে কম মিনিটে গোল আদায় করতে পারেননি আর কেউ।
ভিনি এমবাপ্পেরা নিয়মিত গোল আদায় করেন একে অন্যের সাথে প্রতিযোগিতা করে। রদ্রিগো, বেলিংহামরাও কম যাননা। অপরদিকে ব্রাহিম দিয়াজ ও গুলারও নিজেদের সু্যোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না। সেখানে এবারই ইউরোপে প্রথম এসেছেন এন্ড্রিক। এর মাঝে আলাদা তিন চ্যাম্পিয়নশিপে আদায় করেছেন গোল। লা লীগায় হিসেবে ১৪ ম্যাচে করেছেন ১ গোল, তবে এই ১৪ ম্যাচ খেলেছেন সর্বসাকুল্যে ৯০ মিনিট। সেক্ষেত্রে কোপা দেল রে তে সময় পেয়েছেন, মোট ২১৩ মিনিট খেলে ৩ গোল করেছেন।
অর্থ্যাৎ সুযোগ পেলে গোল করা ভুলছেন না এন্ড্রিক। তবুও ১৮ এর এন্ড্রিককে নিয়ে আছে ফ্লপ তকমা, আছে নানা সমালোচনা। সেইসব সমালোচনা পিছনে ফেলে এন্ড্রিক জ্বলে উঠুক নিজের মত করে, এমনটাই চাওয়া সেলেসাও ও রিয়াল মাদ্রিদ ভক্তদের৷




