লাতিন অঞ্চলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব জমজমাট। ইউরোপীয়ান দলগুলোও বিশ্বকাপে যাওয়ার লড়াইয়ে আছে ন্যাশনস লীগ দিয়ে। এর মাঝে আলোচনার টেবিলেও জমজমাট প্রশ্ন, কারা হট ফেভারিট হয়ে মাঠে নামবে ২০২৬ বিশ্বকাপে। সেই তালিকায় আছে আর্জেন্টিনা, ফ্রাঞ্চ, স্পেন, ব্রাজিল সহ নানা দল। তবে এই বিশ্বকাপ খেলা বর্তমানে হচ্ছেনা ৩ দেশের জন্য।
আগে থেকেই বিশ্বকাপের জন্য নিষিদ্ধ হলো ৩ দেশ। আগে থেকেই নিষিদ্ধ ছিল ইউরোপের দেশ রাশিয়া৷ ২০২৬ বিশ্বকাপেএ আয়োজক দেশ ৩ টি৷ তবে বেশিরভাগ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে নর্থ আমেরিকার দেশ যুক্তরাষ্ট্রে৷ বিশ্ব রাজনীতিতে দ্বৈরথ অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া৷ এছাড়া ২০২২ সাল থেকেই বিশ্বে হয়ে আসছে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ৷ যে কারণে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ফিফা। যদিও এবার অনেক আলোচনা হয়েছিল সে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের। তবে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার না হওয়ায় আগামী বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবেনা দেশটি৷ এর আগে ঘরের মাঠে ২০১৮ সালে বিশ্বকাপে নেমেছিল রাশিয়া
এর বাইরে নতুন করে নিষিদ্ধ হলো দুই দেশ। একটি আফ্রিকার দেশ কঙ্গো৷ আরেকটি এশিয়ার দেশ পাকিস্তান। দুই দেশের নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ একটিই। আর তা হলো নিজেদের বোর্ডে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ। সাধারণত কোন ফুটবল ফেডারেশন যদি নিজেদের আওতায় না থাকে এবং রাজনীতিমুক্ত না থাকে। যদি তৃতীয় পক্ষ এতে হস্তক্ষেপ করে তবে সে দেশ সম্মুক্ষীন হয় নিষেধাজ্ঞায়। যে আওতায় এবার নিষিদ্ধ পাকিস্তান ও কঙ্গো
যদিও পাকিস্তানের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা নতুন কিছু নয়। এর আগে ২০১৭ ও ২০২১ সালে একই কারণে নিষিদ্ধ হয়েছিল পাকিস্তানের ফুটবল। পরবর্তীতে ফিরে আসে দলটি। আর সেখানে যদি ফিফার অনুমোদন করা বোর্ড যদি আবারো ক্ষমতা পায়, তবেই সেখানে ফুটবল চালু করে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থারা।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আফ্রিকান অঞ্চলে গ্রুপ ইতে সবার শেষে কঙ্গো। ৩ ম্যাচের সবগুলোয় হার তাদের। অপরদিকে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শুরুর রাউন্ডে বাদ পড়েছে পাকিস্তান। সব মিলিয়ে তাদের নিষেধাজ্ঞা তাদের বিশ্বকাপ খেলার না খেলার উপর প্রভাব ফেলবেনা। তবে অদুর ভবিষ্যতে ফুটবলের জন্য যে বড় ক্ষতির সম্মুখীন করবে, তা নিসন্দেহে বলাই যায়৷




