গত মৌসুমে মাদ্রিদ দলে অভিষেক হয়। চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চে মাদ্রিদের হয়ে জয়সুচক গোলটিও করেন। তবে এরপরও লস ব্লাঙ্কোসদের দলে জায়গা মেলেনি নিকো পাজের। মৌসুম শুরু হবার আগেই নিজেদের একাডেমির পাজকে বিক্রি করে দেয় রিয়াল মাদ্রিদ।
সেখান থেকে আবারো পাজকে পেতে মারিয়া এই ক্লাবটি। মাঝে অর্ধ সিজনেই এই আর্জেন্টাইন নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। এই মৌসুমে ২৩ ম্যাচে ৯ গোল এসিস্ট। ৬ গোলের সাথে করেছেন ৩ এসিস্ট। এছাড়া কি পাস, লং বল সহ ক্রিয়েটিভিটিতেও দুর্দান্ত পাজ। এর মাঝে আর্জেন্টিনা দলে সুযোগ পেয়েছেন। সেখানে সুযোগ পেয়ে এক এসিস্টও তুলে নেন এই এটাকিং মিডফিল্ডার। সব মিলিয়ে আগের চেয়ে মার্কেটে পাজের চাহিদা বেশি।
এই মুহুর্তে তাই নানা গণমাধ্যম ও বিশ্বস্ত মাধ্যমের মতে রিয়াল মাদ্রিদের ট্রান্সফার মার্কেটের প্রথম পছন্দ পাজ। আগামী মৌসুমেই পাজকে নিজেদের ডেরায় নিয়ে আসতে পারে ক্লাবটি। সেখানে পাজের মার্কেটমুল্যই বর্তমানে ২০ মিলিয়ন ইউরো। তবে বাই ব্যাক রাইটসে ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ইউরোতে পাজকে দলে আনতে চায় রিয়াল মাদ্রিদ। অপরদিকে পাজ বেড়ে উঠেছেন রিয়াল মাদ্রিদের একাডেমিতে। নিজের শৈশবের ক্লাবের সাথে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবে ফিরতে আগ্রহীও তিনি।
তবে এখানেও যদি কিন্ত আছে। রিয়াল মাদ্রিদের পাজ আর্জেন্টিনা দলে ডাক পাননি, পেয়েছেন কোমোর পাজ। লিওনেল স্কালোনি বড় নাম দেখে নয়, পারফর্মেঞ্চ দেখে ডাক দেন দলে। আর সেখানে এমএলএস, ব্রাজিল লীগ থেকেও নিয়মিত তার দলে ডাক পান অনেকে। এছাড়া মধ্যম সারির ক্লাবের পারফর্মারদের বের করে আনেন তিনি। সেখানে বড় ক্লাবের বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়রা থাকেন উপেক্ষিত।
এ অবস্থায় মাদ্রিদ দলে মিডফিল্ডে আছে প্রতিযোগিতা। জুড বেলিংহামের জন্য আর্দা গুলার নিয়মিত সুযোগ পাননা। সেখানে পাজ গেলে তাকেও প্লেয়িং টাইমের জন্য লড়াই করতে হবে। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় আছেন পাজ, এমন অবস্থায় প্লেয়িং টাইম নিয়ে ভাবতে হবে তাকে। অপরদিকে পাজকে নিতে আগ্রহ দেখিয়ছে ইন্টার মিলান সহ নানা ক্লাব। শেষ পর্যন্ত সিরিআতে থেকে বড় ক্লাবে যান কিনা পাজ সেটাও থাকবে প্রশ্ন। তবে এই আর্জেন্টাইন নিজের দেশের কথা ভেবেই নিবেন বড় সিদ্ধান্ত৷




