মৌসুমের শুরুর ম্যাচেই জয়। মহাদেশীয় শিরোপার প্রথম ম্যাচেই জয়। আবারো সেই জয়ের কারিগর আর কেউ নন, স্বয়ং লিওনেল মেসি।
কনসাসে ম্যাচ শুরুর আগে তাপমাত্রা মাইনাস ১৪ তে গিয়ে ঠেকেছিল। বাইরের রাস্তাও ছেয়ে গিয়েছিল বরফে। স্টেডিয়ামেও পড়েছিল সেই ইফেক্ট, মাইনাস ৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় মাঠে নামে ইন্টার মায়ামি ও স্পোর্টিং কেসি। কনসাসের তীব্র শীতে সমর্থকদের উষ্ণতার মুহুর্ত উপহার দেন লিওনেল মেসি।
প্রতিপক্ষ স্পোর্টিং কেসির বিপক্ষে এদিন ৪-৪-১-১ ফরমেশনে মাঠে নামে ইন্টার মায়ামি। আর সেখানে একমাত্র এটাকিং মিডফিল্ডার থাকেন মেসি৷ ম্যাচের শুরুতেই দুই দল করতে থাকে একাধিক আক্রমণ পালটা আক্রমণ। ম্যাচের ২৪ মিনিটে সতীর্থের বাড়ানো লং বল থেকে রান নিয়ে গোল আদায় করতে ব্যার্থ হন স্পোর্টিং কেসির খেলোয়াড়।
৩০ মিনিটে লিওনেল মেসি দুরপাল্লার শট করেন। তবে তার বা পায়ের শট চলে যায় মাঠের বাইরে। মিনিট দুয়েক পর মেসির ফ্রিকিকও হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট। ৩৫ মিনিটে সুয়ারেজ চেষ্টা করলেও আদায় করতে পারেননি গোল। আর এভাবেই কাটে ম্যাচের প্রথমার্থ। কোন গোল না হওয়ায় গোলশুন্য অবস্থায় শেষ হয় শুরুর ৪৫ মিনিট।
দ্বিতীয়ার্থে ফিরে গোল আদায় মায়ামির। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে এবার দলের হয়ে এগিয়ে আসেন লিওনেল মেসি। মাঝমাঠ এর একটু সামনে থেকে দারুণ এক লং বল দেন মেসির দীর্ঘদিনের সতীর্থ বুস্কেটস। তবে সেই বলটাকেও যেভাবে কন্ট্রোল করলেন মেসি, সেটা ছিল দেখার মত। এরপর একধিক ডিফেন্ডারকে বোকা বানান। শট করেন নিজের উইক ফুট ডান পা দিয়ে। তবে তাতেও কাজের কাজটা হয়ে যায়, বল জড়ায় জালে।
এরপর দুই দলই নানা আক্রমণ পালটা আক্রমণ করে। নিজেদের মাঠে একধিকবার চেষ্টা করে স্পোর্টিং কেসি। ৩ বার অন টার্গেটে শটও করে তারা, তবে তাতে কাজের কাজ হয়নাই। অপরদিকে লিড বাড়ানোর চেষ্টা করে ইন্টার মায়ামি। তবে তারাও সাফল্য পায়নি সেভাবে।
অবশ্য এই জয়টাও দারুণ কিছু মায়ামির জন্য। কেননা এওয়ে ম্যাচে জয় নিয়ে ফিরেছে তারা। সেটিও তারা করেছে কনসাসের বৈরি আবহাওয়ায়, যেখানে ফুটবল খেলাটাই কঠিন। এই জয়ের পর ঘরের মাঠে আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে মেসির মায়ামি৷ পরের লেগে সহজ জয় পেতেই চাইবে দলটি। তবে মৌসুমের শুরুর ম্যাচে এমন জয় মায়ামি সমর্থকদের আত্মতৃপ্তিই দেবে।




